• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বাড়ছে তিস্তার পানি

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে ফের বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীর পানি। উজানের ঢলে রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়ায় ডিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৭ সেণ্টিমিটার। বর্তমানে সেখানে পানিবৃদ্ধি অব্যাহত আছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, রবিবার সকাল ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েণ্ট নদীর পানি বিপৎসীমার ২৩ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর সকাল নয়টায় ৬ সেণ্টিমিটার, বেলা ১২টায় ৫ সেণ্টিমিটার, বেলা তিনটায় ৩ সেণ্টিমিটার এবং সন্ধ্যা ৬টায় আরো ৩ সেন্টিমিটার কমে দিনের ১২ ঘন্টায় ১৭ সেণ্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। ওই পয়েণ্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।
এর আগে উজানের ঢলে গত ১৪ আগস্ট ওই পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে তিস্তা অববাহিকায় বন্য পরিস্থির সৃষ্টি হয়। এরপর পানি কমে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করে। তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করেনি। রাতে পানি বৃদ্ধির শঙ্কায় রয়েছে এসব গ্রামের মানুষ।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘দফায় দফায় নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এখনো কোনো ঘর বাড়িতে পানি ওঠেনি’।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘উজানের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্ধ্যা ৬টায় ব্যরাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যরাজের সবকটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে’।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ